মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

মেডিক্যাল কলেজ

 

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরে অবস্থিত একটি সরকারী মেডিকেল কলেজ। এটি শহরের পাঁচলাইশ এলাকায় কে বি ফজলুল কাদের রোডে অবস্থিত। ১৯৫৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এটি একটি ৫১০ শয্যাবিশিষ্ট তৃতীয়পর্যায়েরহাসপাতাল। স্নাতক পর্যায়ের এম.বি.বি.এস ও বি.ডি.এস শিক্ষাক্রম ছাড়াও এখানে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এম.ডি ও এম.এস শিক্ষাক্রম চালু রয়েছে। এখানে ৫ বছর মেয়াদী এমবিবিএস কোর্সে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এই কোর্সে ১৮০ জন ছাত্রছাত্রীকে প্রতিবছর ভর্তি করা হয়ে থাকে।

ইতিহাস

১৯০১ সালে চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লায় চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। ১৯২৭ সালে চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে চট্টগ্রাম মেডিকেল স্কুলের কার্যক্রম শুরু হয়। এটি চার বছর মেয়াদী এলএমএফ প্রদান করতো। ১৯৫৭ সালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এই কলেজের উদ্বোধন করেন। ডাঃ আলতাফ উদ্দীন আহমেদ এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন। ১৯৬০ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালই চট্টগ্রাম মেডিকেল হিসেবে সেবা প্রদান করতো। ১৯৬০ সালে এটি বর্তমান ক্যাম্পাসে স্থানান্তরিত হয়। মাত্র ২৬ জন শিক্ষক এবং ৭৬ জন শিক্ষক নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়। তখন এর বিভাগ ছিল তিনটি;অ্যানাটমি, ফিজিওলজি এবং প্রাণরসায়ন। ১৯৬০ সালে এতে শুধুমাত্র মেডিসিন, সার্জারি এবং ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা বিভাগ ছিল। ১৯৬৯ সালে এর বর্তমান ভবনের কাজ সম্পন্ন হলে ১৯৬৯ সালে এটি বর্তমানের সাততলা ভবনে স্থানান্তরিত হয়। ১৯৯০ সালে ডেন্টাল ইউনিট এবং ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারী চালু হয়। বর্তমানে এর শয্যাসংখ্যা ১০১০। ২০০৭ সালে ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং, কম্পিউটারাইজড টমোগ্রাফিক স্ক্যান, ডিএনএ টেস্টিং চালু হয়।

ভর্তি

প্রতি বছর এই কলেজে ১৭৫ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করানো হয়।

ডেন্টালইউনিট

১৯৯০ সালের ৫ জানুয়ারী ডেন্টাল ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়। এতে প্রতি বছর ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।

বিভাগসমূহ

এই মেডিকেল কলেজে ৩৫টি বিভাগ রয়েছে।

মিলনায়তন

শাহ আলম বীর উত্তম মিলনায়তন নামে এই প্রতিষ্ঠানের একটি মিলনায়তন রয়েছে। খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম শাহ আলমের নামে এই মিলনায়তনের নামকরণ করা হয়েছে। এটি এক হাজার দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। আধুনিক মিলনায়তনের মতো এতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, সাজঘর, লাইটিং এবং সাউন্ড সিস্টেম রয়েছে

শহীদমিনার

প্রতিষ্ঠানে একটি শহীদ মিনার রয়েছে।