মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

কার্যাবলী

 

শতাব্দীকালের বৃহত্তম স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে বর্তমান জেলা পরিষদ প্রশাসনিক ও অন্যান্য কার্যাবলী বিভিন্ন সময়ে প্রনীত আইন ও অধ্যাদেশ মোতাবেক পরিচালিত হয়ে আসছে। লোকাল সেলফ গভর্নমেন্ট এ্যাক্ট ১৮৮৫ বলে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ডিষ্ট্রিক্ট বোর্ড ১৮৮৭ মাসের ৫ই এপ্রিল থেকেই জনসাধারনের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যাদী সম্পন্ন করে আসছে।

 

১.প্রকৌশল বিভাগ:-

জেলা পরিষদ কর্তৃক জেলার রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালর্ভাট, ডাকবাংলো, অডিটরিয়াম, যাত্রী ছাউনী, পাঠাগার, স্যানিটেশন বিভিন্ন সামাজিক / শিক্ষা / ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়।

মূলত: বাজেট বরাদ্দের আওতায় নিজস্ব তহবিল এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) এর আওতায় বরাদ্দকৃত অর্থ দ্বারা উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গন্যমান্য ব্যক্তিগনের নিকট হতে প্রাপ্ত প্রকল্প তালিকা (যা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের মাধ্যমে অথবা প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-র নিকট সরাসরি প্রেরিত) যাচাই / বাছাইক্রমে জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির অনুমোদন নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রেরন করা হয় এবং অনুমোদন প্রাপ্তির পর বাস্তবায়ন কার্যক্রম গ্রহন করা হয়।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যক্রমে PPR-2003 অনুসরনে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে (Open Tendering Method) দরপত্র আহবান করা হয়। এছাড়া সামাজিক / শিক্ষা / ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প সমূহের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭৫,০০০/- (পঁচাত্তর হাজার) টাকা মূল্যমানের প্রকল্প সমূহ প্রকল্প বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হয়।

 

দরপত্র সংক্রান্ত তথ্য:

দরপত্র বিজ্ঞপ্তি সাধারনত দু’টি জাতীয় পত্রিকা (যার মধ্যে একটি বাংলা এবং একটি ইংরেজী) এবং একটি স্থানীয় আঞ্চলিক পত্রিকায় বহুল প্রচারের জন্য প্রকাশ করা হয়।

দরপত্র বিক্রির স্থান সমূহ :-

 ১.বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়, চট্টগ্রাম বিভাগ

(১০.০০ লক্ষ টকা বা অধিক মূল্য মানেরপ্রকল্পের ক্ষেত্রে)।

২.জেলা পরিষদ কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

৩. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সীতাকুন্ড,হাটহাজারী, পটিয়া।

 

দরপত্র গ্রহনের স্থান সমূহ :-

 ১. বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়,চট্টগ্রাম বিভাগ।

২. জেলা প্রশাসক কার্যালয়, চট্টগ্রাম জেলা।

৩. জেলা পরিষদ কার্যালয়, চট্টগ্রাম।

৪. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় সীতাকুন্ড,হাটহাজারী, পটিয়া।

 

দরপত্র সমূহ যাচাই /বাছাই :- মূল্যায়ন কমিটির সভায় দরপত্র গ্রহনের ২ (দুই) সপ্তাহের করত: উপস্থাপন- মধ্যে।

দরপত্র অনুমোদন :- ২৫.০০ (পঁচিশ) লক্ষ টাকার নীচের প্রকল্প সমূহ জেলা পরিষদ উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাধ্যমে অনুমোদন করা হয়। ২৫.০০ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের প্রকল্প সমূহ চুড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরন করা হয়। দরপত্র গ্রহনের পরবর্তী ৪ (চার) সপ্তাহের মধ্যে।

 

বিল পরিশোধ :- ঠিকাদার / প্রকল্প কমিটি কর্তৃক কাজ সম্পাদনের পর বিলের জন্য আবেদন প্রাপ্তির ৫ কার্য দিবসের মধ্যে প্রকৌশলী / সচিব/ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক সাইট পরিদর্শনের পর কাজের মান সন্তোষ্টি সাপেক্ষে পরবর্তী ৩(তিন) কার্যদিবসের মধ্যে বিল পরিশোধের ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সময় বর্ধন ও জামানত ফেরতের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে ফি প্রদান সাপেক্ষে আবেদন করতে হবে।

 

ঠিকাদারী লাইসেন্স ইস্যু :- শ্রেনী ভিত্তিতে নির্ধারিত ফি প্রদান সাপেক্ষে লাইসেন্স ও নবায়ন। নবায়ন করা হয়। নতুন তালিকাভূক্তির ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র সমেত আবেদন করলে অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতার ভিত্তিতে বিভিন্ন শ্রেনীতে লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

 

 

 

২.সাধারণ শাখার কার্যাবলীঃ

মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ ১৯৫৯ বলে নতুনভাবে সৃষ্ট ডিষ্ট্রিক্ট কাউন্সিল এর কার্যাবলী বাধ্যতামূলক এবং ঐচ্ছিক এই দুইভাগে বিভক্ত করে। বাধ্যতামূলক কার্যাবলীর মধ্যে ২৮টি এবং ঐচ্ছিক কার্যাবলীর মধ্যে ৭০টি কাউন্সিলের আওতায় আনা হয়। গত ২২-৯-১৯৭৬ সনে বাংলাদেশ গেজেট এক্সট্রা অর্ডিনারী-তে প্রকাশিত লোকাল গর্ভণমেন্ট অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর ৩৬ (১) আদেশবলে উক্ত অধ্যাদেশের তৃতীয় তফসিলের পার্ট-১ এ ২৭টি বাধ্যতামূলক এবং পার্ট-৩ এ ৩৭টি ঐচ্ছিক কার্যাবলীর বিবরণ রয়েছে।

 

স্থানীয় সরকার জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৮-তে জেলা পরিষদের কার্যাবলী ছিল দুইভাগে বিভক্ত, আবশ্যিক ও ঐচ্ছিক। তাবকলিক কার্যাবলী ছিল :- জেলার মধ্যে সকল উন্নয়ন উদ্যোগের পুনরীক্ষন, উপজেলা পরিষদকে সহযোগীতা ও উৎসাহ প্রদান এবং উপজেলা পরিষদ কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়নের পর্যালোচনা ও হিসাব নিরীক্ষা, উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নয় এ প্রকার জনপথ, কালর্ভাট ও ব্রীজের নির্মান, রক্ষনাবেক্ষন এবং উন্নয়ন, রাস্তার পার্শ্বে ও জনসাধরনের ব্যবহার্য স্থানে বৃক্ষ রোপন ও সংরক্ষন, জনসাধারনের ব্যবহারার্থে উদ্যান, খেলার মাঠ ও উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও উহাদের রক্ষনাবেক্ষন, সরকারী উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষনা বেক্ষনে নয় এমন খেয়াঘাটের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ, সরাইখানা, ডাকবাংলো এবং বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষনাবেক্ষন, জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলী সম্পাদনরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহযোগীতা, সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উপর অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন, সরকার কর্তৃক আরোপিত অন্যান্য কাজ এবং ঐচ্ছিক কার্যাবলী ছিল।

 

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর প্রথম তফসিলের প্রথম অংশে নিম্নেবর্ণিত ১২টি বাধ্যতামূলক কাজের উল্লেখ আছে।

১. জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রমের পর্যালোচনা

২. উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা।

৩. সাধারন পাঠাগারের ব্যবস্থা ও উহার রক্ষনাবেক্ষন

৪. উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা বা সরকার কর্তৃক সংরক্ষিত নহে এই প্রকার জনপথ,কালর্ভাট ও ব্রীজ এর নির্মান রক্ষনা বেক্ষন এবং উন্নয়ন।

৫. রাস্তার পার্শ্বে ও জনসাধারনের ব্যবহ্নত স্থানে বৃক্ষ রোপন ও উহার সংরক্ষন।

৬. জনসাধারনের ব্যবহ্নতস্থানে উদ্যান, খেলার মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা ও উহাদেররক্ষনাবেক্ষন।

৭. সরকারী উপজেলা পরিষদ বা পৌরসভার রক্ষনাবেক্ষনে নহে এমন খেয়াঘাটের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ।

৮. সরাইখানা, ডাকবাংলো এবং বিশ্রামাগারের ব্যবস্থা ও রক্ষনাবেক্ষন ।

৯. জেলা পরিষদের অনুরূপ কার্যাবলী সম্পাদনরত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সংগে সহযোগীতা।

১০. উপজেলা ও পৌরসভাকে সহায়তা, সহযোগীতা এবং উৎসাহ প্রদান।

১১. সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের উপর অর্পিত উন্নয়ন পরিকল্পনার বাস্তবায়ন।

১২. সরকার কর্তৃক আরোপিত অন্যান্য কাজ।

 

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর প্রথম তফসিলের দ্বিতীয় অংশে শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজকল্যান, অর্থনৈতিক কল্যাণ, জনস্বাস্থ্য, গণপূর্ত ও সাধারন খাতে বিভিন্ন প্রকার কার্যাবলী সম্পাদনের বিধান রয়েছে।

 

জেলা পরিষদ আইন, ২০০০ এর দ্বিতীয় তফসিলে জেলা পরিষদ কর্তৃক আরোপনীয় কর, রেইট, টোল এবং ফি এর ৮টি বিষয়ের উল্লেখ আছে।

১. স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের উপর কর।

২. বিজ্ঞাপনের উপর কর।

৩. পরিষদের রক্ষনাবেক্ষনাধীন রাস্তা, পুল ও ফেরীর উপর টোল।

৪. পরিষদ কর্তৃক জনকল্যানমূলক কাজ সম্পাদনের জন্য রেইট।

৫. পরিষদ কর্তৃক স্থাপিত বা পরিচালিত স্কুলের ফিস।

৬. পরিষদ কর্তৃক কৃত জনকল্যান মূলক কাজ হইতে প্রাপ্ত উপকার গ্রহনের জন্য ফিস।

৭. পরিষদ কর্তৃক কৃত কোন বিশেষ সেবার জন্য ফিস

৮. সরকার কর্তৃক পরিষদকে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আরোপিত কোন কর।

 

 

ইজারা কার্যক্রম নিয়ম / প্রক্রিয়া:

জমি ইজারা :- পরিষদের মালিকানাধীন রাস্তার পাশ্বস্থ জমি/পতিত জমিএক সনা ভিত্তিতে ইজারা দেয়া হয়। ইজারার জন্য নির্ধারিত ফরমে (৫০/- টাকা ফি প্রদান সাপেক্ষে ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করতে হবে। কোন ব্যক্তি বা সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে সার্ভেয়ার কর্তৃক সরেজমিনে পরিদর্শনের পর প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ইজারা দেয়া হয়। ইজারার হার জমির ধরন অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়।

 

পুকুর ইজারা :- পরিষদের মালিকানাধীন বিভিন্ন পুকুর তিন সনা ভিত্তিতে ইজারা দেয়া হয়। উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মুখবন্ধ খামে সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকুলে ইজারা দেয়া হয়। ইজারা বিজ্ঞপ্তি দৈনিক পত্রিকায় / জেলা পরিষদ নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়।

 

ঘাট ইজারা :- জেলা পরিষদ মালিকানাধীন বিভিন্ন খেয়াঘাট প্রতি অর্থ বছরের শুরুর পূর্বে এক বছরের জন্য ইজারা দেয়া হয়।ইজারা বিজ্ঞপ্তি জাতীয় / স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় এবং জেলা পরিষদের নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়। উন্মুক্ত দরপত্র বিজ্ঞপ্তি অনুসরনে সর্বোচ্চ দরদাতার অনুকুলে কার্যাদেশ দেয়া হয়।

 

মিলয়নাতন ভাড়া :- মিলনায়তন ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব প্যাডে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করতে হবে। এজন্য সর্বোচ্চ ৮ ঘন্টা ব্যবহারের জন্য ভাড়ার হার ৩৫০০/- টাকা বুকিং বাতিলের জন্য কমপক্ষে এক সপ্তাহ পুর্বে অবহিত করতে হবে। অন্যথায় ১০০০/- টাকা কর্তন করা হবে।

 

ডাকবাংলো ব্যবহার :- জেলা পরিষদ মালিকানাধীন সার্সন রোডস্থ ডাকবাংলো এবং বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত ডাকবাংলো পূববর্তী বুকিং সাপেক্ষে নির্ধারিত ভাড়ায় সাময়িক অবস্থানের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা / সচিবের সাথে এবং উপজেলার ক্ষেত্রে স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

 

৩.কারিগরী শাখার কার্যক্রম:

১. অনুমোদিত বাজেট বরাদ্দের আলোকে নিজস্ব তহবিলের আওতায় প্রকল্প গ্রহন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে প্রাপ্ত আবেদন প্রত্র সমূহ বিবেচনা এবং যাচাই বাছাই করে নীতিমালা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক প্রকল্প যথা:রাস্তাঘাট, ব্রীজ-কালর্ভাট, সামাজিক সাংস্কৃতিক, ক্রীড়া ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহন।

২. এডিপি’র সাধারন / বিশেষ বরাদ্দের আওতায় নীতিমালা অনুযায়ী উন্নয়নমূলক প্রকল্প গ্রহন।

৩. নিজস্ব তহবিল এবং এডিপি’র আওতায় গৃহীত প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন সুষ্ঠ তদারকীর মাধ্যমে কাজের গুনগতমান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গৃহীত উন্নয়নমূলক প্রকল্প সমূহের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করন।

৪. টেন্ডারের মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্প সমুহের পিপিআর-২ বা ৩ অনুযায়ী ঠিকাদার নির্বাচন। চুক্তি সম্পাদন এবং বিল পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহন।

৫. সিপিপিইউ-এর মাধ্যমে গৃহীত প্রকল্প সমূহের ক্ষেত্রে নীতিমালা অনুযায়ী চুক্তিপত্র সম্পাদন এবং বিল পরিশোধের ব্যবস্থা।

৬. উন্নয়নমূলক কাজের প্রাক্কলন প্রস্ত্ততি, টেন্ডার আহবানের ব্যবস্থা গ্রহন।