মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

বিশেষ অর্জন

দিন বদলের সনদ বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম জেলায় গৃহীত ও

সম্পাদিত কার্যক্রমসমুহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

গত ৬ জানুয়ারী ২০০৯ দিন বদলের অঙ্গীকার নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বর্তমান সরকার ‘‘রূপকল্প ২০২১’’কে সামনে রেখে আন্তরিকতার সাথে যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তার সাথে একাত্ম হয়ে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত ইশতেহার অনুযায়ী সরকার কর্তৃক গৃহীত কর্মসূচীর পাশাপাশি নিজস্ব উদ্যোগে বেশ কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলায় কর্মরত অন্যান্য সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমুহের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করে চলেছে। কার্যক্রমগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলোঃ

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে সেবার মান উন্নীতকরণ

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ২০২১ সালের মধ্যে জনকল্যাণমুখী ‘‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’’ গড়ে তোলা।

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

·www.dcchittagong.gov.bd ঠিকানা সম্বলিত তথ্য বাতায়ন ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেছেন। নিয়মিত হালনাগাদকরণের মাধ্যমে একে কার্যকর জনসেবার মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সমন্বয়ে একটি টিম কাজ করে যাচ্ছে।

·জেলা তথ্য বাতায়নের মাধ্যমে জনগণ কর্তৃক প্রেরিত বিভিন্ন জিজ্ঞাসা, অভিযোগ, অভিমত ও পরামর্শের জবাব নিয়মিত প্রদান করা হচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ গত ০৯/০৩/২০১০ তারিখের একটি ই-মেইল যোগাযোগের হুবহু প্রতিরূপ নিচে তুলে ধরা হলো:

বিষয়:

information on arms license

প্রেরকের নাম:

Mir Dost Mohammad Khan

প্রাপক:

ফরিদ উদ্দিন আহম্মদ চৌধুরী

প্রেরকের মোবাইল নং:

303-317-5640

মেইল টাইপ:

জিজ্ঞাসা

প্রেরকের পেশা:

Private service

প্রেরকের জেনডার:

পুরুষ

প্রেরকের বয়স:

55

 

 

বিস্তারিত :

Dear DC of Chittagong,

I am a Bangladeshi at present residing at USA. I had a gun license under Chittagong D.c.I do not have a home at the town.I am about to be retired and want to live at rural Chittagong . Law order situation is not good at the rural area. I would need a gun license. May I apply on line to D.C.Chittagong for a gun license? Looking forward of your response.

With best regards,

Mir Dost Mohammad Khan

 

প্রাপকের উত্তর:

Dear Mr Khan,

Thanks for your keen interest in the online service started by us. However, the whole thing is still at the nascent state. It has yet to develop online application processing system. For arms license, application with necessary papers and fees is followed by a police investigation as well as an interview, if deemed necessary, conducted by Deputy Commissioner. So you are required to be physically here both to initiate and complete the process. Please keep in touch with this site.

 

Regards

Staff Officer to DC

 

·বিভাগীয় পর্যায়ে আইটি ভিলেজ/এসটিপি স্থাপনের জন্য ১০০-১৫০ একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রামকে অনুরোধের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম জেলার ৪ টি উপজেলা (লোহাগড়া, ফটিকছড়ি, বাঁশখালী ও হাটহাজারী) থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে আইটি ভিলেজ/ এসটিপি স্থাপনের জন্য প্রস্তাব পাওয়া গিয়েছে। প্রস্তাবগুলো বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

·এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রজেক্টের অধীনে দ্রুত বাস্তবায়নযোগ্য ডিজিটাল কর্মপরিকল্পনার চাহিদা অনুসারে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম কর্তৃক নিম্নোক্ত দুটি পরিকল্পনা প্রেরণ করা হয়েছে, যা এ্যাকসেস টু ইনফরমেশন প্রজেক্টের সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছে।

 

i) Computerization of Record Room and Passport Section in the Office of the Deputy Commissioner, Chittagong for Improvement in Service Delivery;

 

ii) Improvement in Service Delivery and Sharing Information of District Relief and Rehabilitation Section (DRRO) in the Office of the Deputy Commissioner, Chittagong through Information Technology.

 

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: চাল, ডাল, তেলসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম কমিয়ে জনগণের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে স্থিতিশীল রাখা।

 

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

·চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং খাতুনগঞ্জ দোকান মালিক সমিতির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম গঠন করে নিয়মিত তদারকির মাধ্যমে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দ্রব্যমূল্য সহনশীল রাখা হয়েছে; বিশেষ করে পবিত্র রমজান মাসে প্রতিটি দোকানে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্য তালিকা টাঙানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল এবং পাইকারী ও খুচরা মূল্যের ব্যবধান সামঞ্জস্যপূর্ণ রাখতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।

 

চট্টগ্রাম জেলার বাজার দর প্রতিবেদন

তারিখঃ ২২/০৩/১০

পণ্যদ্রব্য

মূল্য পরিস্থিতি

পাইকারী হিসাবে প্রতি কেজি মূল্য

খুচরা হিসাবে প্রতি কেজি মূল্য

সর্বনিম্ন

সর্বোচ্চ

সর্বনিম্ন

সর্বোচ্চ

চাউল আতপ (মোটা)

২৬.৫০

২৬.৮০

২৭.০০

২৮.০০

চাউল সিদ্ধ (মোটা)

২৪.০০

২৪.২০

২৫.০০

২৬.০০

চাউল আতপ (মাঝারী)

৩২.০০

৩২.৫০

৩৪.০০

৩৬.০০

চাউল সিদ্ধ (মাঝারী)

৩২.০০

৩২.৫০

৩৪.০০

৩৬.০০

চাউল আতপ (সাধারন মানের চিকন)

৩৫.৫০

৩৬.৫০

৩৮.০০

৪০.৫০

চাউল সিদ্ধ (সাধারন মানের চিকন)

৩৭.০০

৩৮.০০

৪০.০০

৪২.০০

গম (সাদা)

১৮.০০

১৯.০০

২০.০০

২১.০০

গম (লাল)

১৭.০০

১৮.০০

১৯.০০

২০.০০

আটা (প্যাকেট)

২২.০০

২৩.০০

২৩.০০

২৪.৫০

চিনি (আমদানিকৃত)

৪৮.০০

৪৯.০০

৫৪.০০

৫৫.০০

সরিষার তৈল (খোলা)

১২২.০০

১২৪.০০

১২৫.০০

১২৬.০০

সোয়াবিন তৈল (খোলা)

৭৬.০০

৭৭.০০

৭৯.০০

৮১.০০

লবন (প্যাকেট)

১০.০০

১২.০০

১৩.০০

১৫.০০

মসুর ডাল (দেশী উন্নত মানের)

১০০.০০

১০২.০০

১০৪.০০

১০৬.০০

খেসারীর ডাল

৪৭.০০

৪৮.০০

৪৯.০০

৫০.০০

পিঁয়াজ (আমদানিকৃত)

১০.০০

১১.০০

১২.০০

১৫.০০

শুকনা মরিচ (স্থানীয়)

১৪৫.০০

১৪৭.০০

১৪৮.০০

১৫০.০০

 

‘‘দারিদ্র ঘুচাও বৈষম্য রুখো’’

(দারিদ্র বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রম)

 

­­­সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ২০১৩ সালের মধ্যে দারিদ্রসীমা ও চরম দারিদ্রের হার যথাক্রমে ২৫ ও ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা। ২০২১ সালের মধ্যে বেকারত্বের হার বর্তমান ৪০ থেকে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনা।

 

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

·চট্টগ্রাম জেলায় ‘‘অতি দরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান’’ কর্মসূচীর বাস্তবায়নঃ

 

১ম পর্যায়-

 

 

জানুয়ারী ২০১০ মাসে ১ম পর্যায়ের প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যয়িত টাকা = ৭,২১,৯০,৮০০/=

নিয়োজিত শ্রমিক ২১০৫০ জন এবং ব্যবহৃত শ্রমদিবস ৭,২১,৯০৮।

বাস্তবায়িত প্রকল্প সংখ্যা ৭২৩ টি ।

 

২য় পর্যায়-

 

বর্তমানে ২য় পর্যায়ের প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। ১১,৭৯,৮৮,৮০০/= টাকা দ্বারা বাস্তবায়নের জন্য ৫৮৫ টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এ যাবত অর্জিত বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২০% এপ্রিল ২০১০ মাস পর্যন্ত মোট ৪০ কর্ম দিবসে প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্পন্ন হবে। ফলে ২৪,৫৮১জন শ্রমিকের ৯৮৩২৪০ কর্ম দিবসের কর্মসংস্থান হবে।

·গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচী ঃ

গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ/পুনঃনির্মাণ ও উন্নয়নের জন্য এ কর্মসূচীর আওতায় খাদ্যশস্য দ্বারা বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ জনগণের আয় বৃদ্ধি দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আনয়ন এবং দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টির লক্ষ্যে এ কর্মসূচী বাস্তবায়িত হয়।

 

২০০৯-১০ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিখা) কর্মসূচীর আওতায় (সাধারণ-১ম পর্যায়) বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের দ্বারা প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদন ঃ

তারিখ ঃ ২৪/০২/২০১০

 

বরাদ্দকৃত খাদ্যশস্যের পরিমাণ

(মেঃ টন)

গৃহীত প্রকল্প সংখ্যা

শুরু হওয়া প্রকল্প সংখ্যা

ব্যয়িত খাদ্যশস্য

(মেঃ টন)

কাজের অর্জিত অগ্রগতি

(%)

সমাপ্ত প্রকল্প সংখ্যা

 
 

৬৫৫১.৮৮১

৮১২

৮০৮

৪২৮২.৫৪৭

৬৫.৩৬%

৬৪

 
 

 

·গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টি.আর) কর্মসূচী ঃ

দরিদ্র, শ্রমিক, বেকার জনসাধারণের কর্মসংস্থান এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে খাদ্যশস্য দ্বারা বিভিন্ন ছোট ছোট প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হয়।

 

২০০৯-১০ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টি.আর) নির্বাচনী এলাকাভিত্তিক

বিশেষ বরাদ্দ দ্বারা প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতির প্রতিবেদনঃ

তারিখঃ ০১/০৩/২০১০

 

মোট বরাদ্দ খাদ্যশস্য (মেঃ টন)

গৃহীত প্রকল্প সংখ্যা

শুরু হওয়া প্রকল্প সংখ্যা

ব্যয়িত খাদ্যশস্য

(মেঃ টন)

কাজের অর্জিত অগ্রগতি

(%)

সমাপ্ত প্রকল্প সংখ্যা

 
 
 
 
 

৫৬০০

৩৫৯৯

৩৫৯৯

২১৫০.২৫

৪০%

১৪০

 

 

 

·ভিজিএফ কর্মসূচী ঃ

 

২০০৯-১০ অর্থ বছর ভিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় দুঃস্থ ও অসহায়

পরিবারের মধ্যে বিনা মূল্যে খাদ্যশস্য বরাদ্দ/বিতরণ

 

০১। পবিত্র রমজান উপলক্ষ্যে আগষ্ট ২০০৯ মাসে ঃ

প্রতি ইউনিয়নের জন্য ২০০০ হারে মোট কার্ড সংখ্যা

প্রতি কার্ডে ১০ কেজি হারে

খাদ্যশস্য বরাদ্দ ও বিতরণ

(মেঃ টন)

৩৯০২৭০

৪১৭০.০০০

 

 

০২। পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে নভেম্বর ২০০৯ মাসে দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফ বিতরণঃ

কার্ড/পরিবার সংখ্যা

মোট বরাদ্দ

(মেঃ টন)

কার্ডপ্রতি ১০ কেজি

বিতরণ

(মেঃ টন)

 

৩,২১,৩৯২

৩,২১৩.৯২০

৩,২১৩.৯২

 

 

·বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলাদের জন্য বিধবা ভাতা: বিধবা স্বামী পরিত্যক্তা দুঃস্থ মহিলাদের ভাতা প্রদান কার্যক্রমের আওতায় চট্টগ্রাম জেলার অধীনস্থ ১৪টি উপজেলার ১০টি পৌরসভার ৯০টি ওয়ার্ড এবং ১৯৫টি ইউনিয়নে মোট ভাতাভোগী ২৯,০৯২ জন। ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে জুলাই/০৮ হতে জুন/০৯ পর্যমত ৮,৭২,৭৬,০০০/- (আট কোটি বাহাত্তর লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার) টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে প্রতি ইউনিয়নে ভাতাভোগী ৩জন করে বৃদ্ধি করায় বর্তমানে ভাতাভোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে (২৯,০৯২+৮৫৫)=২৯,৯৪৭জন। বর্তমানে ভাতার পরিমান ৩০০/- টাকা। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ৬ মাসের ভাতা বাবদ ১০,৭৮,০৯,২০০/-(দশ কোটি আটাত্তর লক্ষ নয়হাজার দুইশত টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। বিতরন কার্যক্রম চলছে।

·দরিদ্র মা’র জন্য পরিচালিত মাতৃত্বকাল ভাতা: ২০০৭-০৮ হতে ২০০৮-০৯ পর্যমত চট্টগ্রাম জেলাধীন ৫টি উপজেলা- লোহাগাড়া, ফটিকছড়ি, বাঁশখালী, সীতাকুন্ড ও সন্দ্বীপ এর ৯৯০ জন্য দরিদ্র মাকে (২বৎসর মেয়াদী) মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কার্যক্রমের আওতায় আনা হয়। পরবর্তীতে ২০০৮-০৯ সালে দরিদ্রতার উপর ভিত্তি করে হাটহাজারী ও পটিয়া এই দুইটি উপজেলার ৫৫৫ জন দরিদ্র মাকে উক্ত ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচিত করা হয়। একজন মা মাসে ৩০০/- টাকা হারে ২ বৎসর যাবৎ এই ভাতা পাবেন। উক্ত খাতে এ পর্যমত প্রাপ্ত বরাদ্দ ৯১,২৬,০০০/-। ২০০৯-১০ অর্থ বছরে চট্টগ্রামের ১৪টি উপজেলার ১৯৫টি ইউনিয়নের (প্রতি ইউনিয়নে ১৭ জন করে) ৩৩১৫ জন ভাতাভোগীকে মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান করা হবে। বর্তমানে ৩৫০/- টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হবে। ৬ মাসের জন্য ৬৯,২৫,৮০০/-(ঊনসত্তর লক্ষ পঁচিশ হাজার আটশত টাকা) বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। বিতরণ কার্যক্রম চলছে।

·ভিজিডি কার্যক্রম:

ইউনিয়নের সংখ্যা

উপকারভোগীর সংখ্যা

জুলাই/০৯ হতে জুন/১০ পর্যমত বরাদ্দ

ফেব্রুয়ারী/১০ পর্যমত বিতরণ

মমতব্য

১৯৫

১৩১৫৬

৪৭,৩৬.১৬

৩,১৫৬.৮৪০

বর্তমানে উপকারভোগী ১৩১৫৩

 

·দুঃস্থ মহিলাদের আত্নকর্মসংস্থানের জন্য পরিচালিত ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম:

২০০৩-০৪ হতে ২০০৭-২০০৮ পর্যমত দুঃস্থ মহিলাদের আত্নকর্মসংস্থানের জন্য পরিচালিত ক্ষুদ্রঋণ তহবিল বাবদ মোট ৯৪,০০,০০০/- (চুরানববই লক্ষ) টাকা সদর কার্যালয় হতে বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। উক্ত অর্থ হতে ১২টি উপজেলার প্রায় ২২৫৫ জন মহিলার মধ্যে এ পর্যমত ১,৮৫,৫৯,০০০/- (এককোটি পঁচাশি লক্ষ ঊনষাট হাজার) টাকা (ঘূর্নায়মান ঋণ হিসাবে) বিতরণ করা হয়েছে।

 

প্রাপ্ত বরাদ্দ

বিতরনকৃত টাকা

জন

আদায়কৃত অর্থ

অনাদায়ী

৯৪,০০,০০০/-

১,৮৫,৫৯,০০০/-

২২৫৫

১,০৫,৫৪,৩৪৪/-

৮০,০৪,৬৫৬/-

·Ailaআক্রান্ত উপজেলায় গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ ঃ

গত ২৫/০৫/০৯ তারিখে সংঘটিত ঘুর্ণিঝড় ‘Aila’ এর আঘাতে ও প্রভাবে চট্টগ্রাম জেলার ১৪ টি উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তন্মধ্যে উপকূল সন্নিকটস্থ বাঁশখালী, সন্দ্বীপ ও আনোয়ারা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অধিক ক্ষতিগ্রস্ত ৩টি উপজেলায় ১ জন লোকের মৃত্যু ছাড়াও ১০০ টি গবাদিপশুর মৃত্যু হয়। তাছাড়া, ১৭ টি ইউনিয়নে ৪,০৬৬ টি পরিবারের ৪৭০ একর জমির ফসল, ২৩১১ টি ঘর-বাড়ী, ৪২ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ১৭৭ কিঃ মিঃ রাস্তা এবং ২০ কিঃ মিঃ বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এ সকল ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দুঃস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে জি.আর চাল ৬২৪ মেঃ টন, জি.আর ক্যাশ ৫,৪৫,০০০/= টাকা, গৃহ বাবদ মঞ্জুরী ৫১,৫৬,০০০/= টাকা এবং ৫০০ পিস শাড়ী বরাদ্দ এবং বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।

 

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়, চট্টগ্রামের আওতায় পরিচালিত

ভাতা কর্মসূচীর শুরু হতে ফেব্রুয়ারী/১০ পর্যন্ত প্রতিবেদন

 

কর্মসূচীর নাম

শুরু থেকে জুন/০৯ পর্যন্ত বরাদ্দকৃত অর্থ

২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে

 

সর্বমোট বরাদ্দকৃত অর্থ

মোট ভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা

বিতরনকৃত অর্থ

শুরু থেকে জুন/০৯ পর্যন্ত

২০০৯-১০

জুলাই- ফেব্রুয়ারী/১০

সর্বমোট

বয়স্ক ভাতা প্রদান কার্যক্রম

১০৬,২২,৯০,৩৪০/

১৭,৭৪,৫৪,৮০০/-

১২৩,৯৭,৪৫,১৪০/-

৮৫৪৬০ জন

৮৫৩৪৮ জন

১১৬,৬৩,৪৭,০৯০/-

অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীভাতা প্রদান কার্যক্রম

৯,৩৮,০৯,১৬০/-

২,৩২,৯২,০০০/-

১১৭,১০,১১৬০/-

৯৮২১ জন

১১৪২৪ জন

১০,৬১,১৯,৩৪০/-

মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা প্রদান কার্যক্রম।

১৭,৮০,৭২,৮০০/-

৩,৯৪,৫৬,০০০/-

২১৭৫,২৮,৮০০/-

৪৩০৬ জন

৪০৪৭ জন

২১,৩৯,১৯,৭০০/-

প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান কার্যক্রম।

৩৬,৯৪,৮০০/-

৭,০১,৪০০/-

৪৩৯৬২০০/-

৪৭৬ জন

৬০৯ জন

৪৪,৯২,৮০০/-

 

প্রকৃত ভূমিহীনদের নামে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্তঃ

(বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর)

 

(ক) প্রতিটি উপজেলায় ২০টি ভূমিহীন পরিবারকে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান:

৩০ জুন, ২০০৯ এর পূর্বেই দেশের প্রতিটি উপজেলায় নূন্যতম ২০টি ভূমিহীন পরিবারকে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক এ জেলায় ১০টি উপজেলায় ২৬৫ ( দুইশত পঁয়ষট্টি)টি প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারকে কৃষি খাস জমি বনেদাবস্ত প্রদান করা হয়েছে।

 

(খ) প্রতিটি উপজেলায় অন্যূন ১০১টি ভূমিহীন পরিবারকে কৃষি খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদান:

ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক আগামী ৩০/৬/২০১০ ইং তারিখের মধ্যে প্রতিটি উপজেলায় অন্যূন ১০১ (একশত এক)টি প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারকে নিষ্কণ্টক কৃষি খাস জমি বন্দোবসত্ম প্রদানের নিমিত্তে সকল উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)গণকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সকল উপজেলা হতে নিষ্কণ্টক খাস জমির তালিকা পাওয়া গিয়েছে। তবে উপজেলা পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি না থাকায় কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত নীতিমালা, ১৯৯৭ এর সর্বশেষ সংশোধনী মোতাবেক যথাক্রমে জেলা ও উপজেলা কৃষি খাস জমি ব্যবস্থাপনা ও বন্দোবস্ত কমিটি পুনর্গঠনের জন্য যথাক্রমে জেলা কৃষক সংগঠনের ২জন প্রতিনিধির বিপরীতে ৪ জনের নাম, জেলা কৃষক সমবায় সংগঠনের ১জন প্রতিনিধির বিপরীতে ২জনের নাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের ১জন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধির বিপরীতে ২ জনের নাম এবং উপজেলা কৃষক সংগঠনের একজন প্রতিনিধির বিপরীতে ২ জনের নাম ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংগঠনের ১ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রতিনিধির বিপরীতে ২জনের নাম মাননীয় ভূমি মন্ত্রী মহোদয় কর্তৃক মনোনয়নের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। আগামী ৩০জুন ২০১০ তারিখের মধ্যে প্রতি উপজেলায় নূন্যতম ১০১টি প্রকৃত ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে নিষ্কণ্টক কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তের জন্যKey Performance Indicator (KPI) কার্যক্রম গ্রহণ করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

 

·আশ্রয়ণ প্রকল্প (ফেইজ-২) সংক্রান্তঃ

 

মোট আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যা ঃ

 

২৩টি

অনুমোদিত আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যাঃ

 

১৭টি

প্রতিকুল পরিবেশ, স্থানীয় জটিলতা, পাহাড়ী দূর্গম এলাকা এবং উপকারভোগী না পাওয়ায় বাদ দেয়া প্রকল্পের সংখ্যা ঃ

 

 

 

০৬টি

বিজ্ঞ আদালতে মামলার কারণে স্থগিতকৃত আশ্রয়ণ প্রকল্পের সংখ্যাঃ

 

০১টি

·‘‘একটি বাড়ি, একটি খামার’’ প্রকল্পঃ এ জেলার প্রতিটি উপজেলার ৪টি করে ইউনিয়নের প্রত্যেকটিতে ৫টি করে গ্রাম নির্বাচন করে এ প্রকল্পের জন্য মন্ত্রণালয় বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। মন্ত্রণালয় কর্তৃক অনুমোদিত হওয়ার পর প্রকল্পের পরবর্তী কার্যক্রম শুরু হবে।

 

কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তা

 

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ‘সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত’ করতে সর্বাত্নক ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ২০১৩ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে পুনরায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা।

 

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

 

·কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ডবিতরণ করা হয়েছে এ পর্যন্ত ৮৪৫০০, একাউন্ট খোলার সংখ্যা ৩৬৮৮২ টি।

 

·ডিজেলে ভর্তুকি বিতরণের অগ্রগতিঃ ডিজেলে ভর্তুকীর জন্য জেলার সম্ভাব্য চাহিদাকৃত অর্থের আংশিক পরিমান অর্থ (৫,৩৭,৭২,৪০০/-) উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ইউ এ ও’র যৌথ একাউন্টে কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক স্থানান্তর করা হয়েছে । শীঘ্রই উক্ত অর্থ কৃষকদের ব্যাংক একাউন্টে স্থানান্তর করা হবে ।

 

·বোরো রোপন/বপন (লক্ষ্যমাত্রা/অর্জন)ঃ বোরো আবাদ লক্ষ্যমাত্রা, হাইব্রিড-৮৭১৬, উফশী-৫২,২৮০ মোট=৬০,৯৯৬/ এ যাবৎ অর্জিত আবাদ হাইব্রিড-৬০৯৩ উফশী-৫৪,৩০৭ মোট=৬০,৪০০ বোরো আবাদ চুড়ান্ত হয়েছে ।

 

·সেচ পরিস্থিতি (ডিজেল/বিদ্যুৎ )চালিত সেচ যন্ত্রের সংখ্যাঃ গভীর সেচকাজে- বিদ্যুৎ চালিত ৫১টি, ডিজেল চালিত ১০টি; অগভীর সেচ কাজে-বিদ্যুৎ চালিত ১৯৪৭ টি, ডিজেল চালিত ৮৮৮টি; এলএলপি সেচ কাজে- বিদ্যুৎ চালিত ৯৬০ টি ডিজেল চালিত ৫৫২৩ টি।

 

·সেচের আওতায় জমিঃ বোরো- ৬০,৪০০ হেঃ, গম -১১ হেঃ, আলু -৩,৩৩২ হেঃ, সব্জি- ১১,৬৪০ ভহট্টা- ০৯ হেঃ ও অন্যান্য ১,২০০ হেঃ।

 

·খাদ্য শস্যের মজুদঃ

 

কার্যকর ধারণ ক্ষমতা (মেঃটন)

বর্তমান মজুদ (মেঃটনে)

চাউল (সিদ্ধ)

চাউল (আতপ)

মোট

গম

৬১,০০০.০০০

১৪,৪১৪.০০০

৯,০৪৩.০০

২৩,৪৫৭.০০০

৭৩৮.০০০

চট্টগ্রাম জেলার কৃষি/পল্লীঋণ বিতরণের অগ্রগতিমূলক প্রতিবেদন (ডিসেম্বর’০৯ ইং পর্যন্ত)

রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংক এবং বিআরডিবি।

শস্য বৎসর ২০০৯-২০১০ ইং

 

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা (কৃষি/পল্লীঋণ) ঃ

 

৩৯৬.১৫ কোটি টাকা

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডিসেম্বর’০৯ পর্যন্ত অর্জিতব্য লক্ষ্যমাত্রাঃ

 

২২৯.৭৬ কোটি টাকা

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডিসেম্বর’০৯ পর্যন্ত বিতরণঃ

 

১৭৯.৫০ কোটি টাকা

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডিসেম্বর’০৯ পর্যন্ত ঋণ সুবিধা প্রাপ্ত কৃষকের সংখ্যা ঃ

 

 

 

২৫,০৭২ জন

শস্য বৎসরের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডিসেম্বর’০৯ পর্যন্ত অর্জিতব্য লক্ষ্যমাত্রার হারঃ

 

 

 

৫৮%

শস্য বৎসরের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ডিসেম্বর’০৯ পর্যন্ত অর্জিত হারঃ

 

৪৫%

 

বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রার ১০০% বিতরণ অবশিষ্ট সময়ের মধ্যে (জানুয়ারী’১০-জুন’১০) নিশ্চিত করা হবে।

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ

·চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি, সম্মুখ সমরের স্থানসমূহ এবং প্রশিক্ষণ ক্যাম্পগুলো চিহ্নিতকরণসহ সংরক্ষণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে মহানগরসহ চট্টগ্রামের সকল উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাগণ এবং সংশ্লিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ উদ্যোগে শরিক হয়েছেন। এ লক্ষ্যে উপজেলাভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি, সম্মুখ সমরের স্থানসমূহ এবং অন্যান্য স্মৃতিচিহ্নগুলো চিহ্নিতকরণসহ তালিকা প্রস্ত্ততির কাজ করে যাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সংশ্লিষ্ট উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ।

·চট্টগ্রাম জেলায় মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্নসমুহের সংখ্যাঃ

বধ্যভূমি.......... ............১১০টি ]

সম্মুখ সমরক্ষেত্র..............১০৯টি

প্রশিক্ষণ ক্যাম্প/স্মৃতি বিজড়িতস্থান.......১৩টি

·মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মুক্তিযুদ্ধকালীন সম্মুখ সমরের স্থানগুলো সংরক্ষণ ও উন্নয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের এলাকায় কালুরঘাট এবং সীতাকুন্ড উপজেলার সোনাইমুড়ি নামক স্থানে দুটি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

 

“One Upazilla One Issue” concept

 

·“One Upazilla One Issue” concept এর আওতায় এ জেলার ১৪টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাগন বিষয়ভিত্তিক কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন যার মাসিক প্রতিবেদন সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হচ্ছে ।

 

উপজেলা

বিষয়ভিত্তিক কর্মসূচী

সাতকানিয়া

হাট-বাজার এবং সরকারী রাস্তাা হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকরণ

বাঁশখালী

মানসম্মত শিক্ষা বিস্তারের জন্য ইংরেজী ও অংক শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান ।

সময়সুচী : ২৬ ডিসেম্বর,২০১০ইং

চন্দনাইশ

প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়া ছাত্র/ছাত্রীদের পূর্নবাসন ।

পটিয়া

যথাসময়ে ‘‘ শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং ছাত্র/ছাত্রীদের এ্যাসেমব্লি­ ’’ তদারকি ।

সময় সুচী : ৩১ ডিসেম্বর, ২০১০ইং

আনোয়ারা

ডিসেম্বর, ২০১০ইং তারিখের মধ্যে কৃষি ক্ষেত্রে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার নিশ্চিতকরণ ।

বোয়ালখালী

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদার সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন ।

রাউজান

৩১ ডিসেম্বর, ২০১০ এর মধ্যে ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ এর আওতায় আনয়ন ।

রাঙ্গুনিয়া

প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ঝড়ে পড়া ছাত্র/ছাত্রীদের পূর্নবাসন ।

হাটহাজারী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহে ২০১০ সালের মধ্যে বোর্ডের পাশের হার অপেক্ষা উপজেলা পর্যায়ে পাশের হার বৃদ্ধিকরণ

ফটিকছড়ি

৩০ জুন, ২০১০ এর মধ্যে ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ এর আওতায় আনয়ন ।

সীতাকুন্ড

২০১০ সালের মধ্যে বিভিন্ন শিল্প কলকারখানায় ‘‘ শিশু শ্রম রোধ ’’ ।

মিরসরাই

৩১ ডিসেম্বর, ২০১০ এর মধ্যে ১০০% স্যানিটেশন কভারেজ এর আওতায় আনয়ন ।

সদ্বীপ

জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিকল্পিত পরিবার গঠন

লোহাগাড়া

সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ মর্যাদার সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীত পরিবেশন ।

শিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম

 

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ২০১১ সালের মধ্যে প্রাথমিক স্তরে নিট ভর্তি ১০০ শতাংশে উন্নীত করা এবং ২০১৪ সালের মধ্যে দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করা।

 

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

প্রাথমিক পর্যায়ে ছাত্র-ছাত্রীর তথ্য /২০০৯

 

বালক

বালিকা

মোট

ভর্তির হার

৩৯০৭১৫

৪০৯৩৫২

৮০০০৬৭

৯৪%

 

 

ঝরে পড়া শিশুর সংখ্যা

ঝরে পড়ার হার

২৯২৮০

২৩%

 

প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা, ২০০৯

 

উপস্থিত পরীক্ষার্থী

অনুপস্থিত পরীক্ষার্থী

উপস্থিতির হার

পাশের হার

৯৭৯৩৯

৫১৪৬

৯৫.০০%

৮৯.৪৭%

২০০৯ -২০১০ অর্থ বছরের চট্টগ্রাম জেলার প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি প্রকল্পের

(অক্টোঃ/০৯- ডিসেঃ/০৯) ২য় কিস্তি অর্থ বিতরনের হিসাব বিবরণীঃ

 

২য় কিস্তিতে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ

বিতরণকৃত অর্থের পরিমাণ

বিতরনের হার

উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা

উপবৃত্তি প্রাপ্ত ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা

৩৫৯০৬৬০০

৩৫৭৩৯২২৫

৯৯

১৭২০

১৩৩৬১৭

সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ২০০৯ সালের

গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম ও অগ্রগতির প্রতিবেদন

 

·প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাচম্যান্ট এলাকায় শিশু জরীপ (৬+ হতে ১৪+ বছর বয়সী) সম্পন্ন করা।

·৬+হতে ১০+ বয়সী না পড়ুয়া সকল শিশুকে (১০০%) বিদ্যালয়ে ভর্তি করার জন্য নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠিকানা ও বিদ্যালয়ে ভর্তি না হওয়ার কারণ সহ তালিকা প্রস্ত্তত করে বিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করণ।

 

·ঝরে পড়া প্রত্যেকটি শিশুকে (১০০%) ক্যাচমেন্ট এলাকার অথবা নিকটবর্তী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির করার জন্য নাম, পিতার নাম, মাতার নাম, ঠকানা ও ঝরে পড়ার কারণ সহ তালিকা প্রস্ত্তত করে বিদ্যালয়ে এনে ৫ম শ্রেণী সমাপ্তকরণের ব্যবস্থা গ্রহণ।

 

·প্রতিটি সরকারী, রেজি: বেসরকারী ও কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা’র ছবি প্রধান শিক্ষকের কক্ষে টাংগানো হয়েছে।

·চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে উপজেলা ভিত্তিক প্রধান শিক্ষকগণের মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তিগণের সমন্বয়ে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত মত বিনিময় সভা করা এবং শিক্ষক/শিক্ষিকাগণের নিয়মিত বিদ্যালয়ে আগমন ও প্রস্থানসহ শ্রেণীকক্ষে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে আন্তরিক ও তৎপর হতে উদ্বুদ্ধ করা।

 

·জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং সহযোগিতায় চট্টগ্রাম মহানগরীর সকল সরকারী, রেজিষ্টার্ড ও কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ০২ (দুই) জন করে শিক্ষক এবং উপজেলা পর্যায়ের প্রতিটি ক্লাষ্টারের ০৪ (চার) জন করে জেলায় সর্বমোট ৫০০ (পাঁচশত) জন শিক্ষককে সঠিক সুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন, সঠিক মাপ ও রংয়ের জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নিয়মাবলী সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

 

·প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঠিক মাপ ও রংয়ের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সঠিক সুরে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন সহ নিয়মিত সমাবেশ করণ (সংক্ষিপ্ত সময়ে শারীরিক কুচকাওয়াজ সহ)।

 

·২০০৯ সালে প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্নকরণ।

 

·প্রত্যেকটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃক ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পাঠোন্নতি বিবরণী তৈরী করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সরবরাহকরণ। প্রত্যেকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফুলবাগান ও প্রয়োজনীয় বৃক্ষ রোপন করা হয়েছে।

 

·১ম, ২য় সাময়িক ও বার্ষিক পরীক্ষা ছাড়াও প্রত্যেকটি অধ্যায়ের পাঠ শেষে অধ্যায় ভিত্তিক পরীক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মূল্যায়ন শেষে অভিভাবককে অবহিতকরণ।

 

·প্রত্যেকটি পরীক্ষা শেষে (১ম, ২য় সাময়িক ও বার্ষিক ) এস.এম.সি, অভিভাবক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গেত্ম উপস্থিতিতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান উন্নয়ন সংক্রান্ত সভা করণ।

 

·শিক্ষার্থীদের পাঠে মনোনিবেশের জন্য শ্রেণীকক্ষ ও বিদ্যালয়ে নিয়মিত সহপাঠক্রমিক কার্যাবলী সম্পন্নকরণ (সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ)।

 

·প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকাকে পর্যায়ক্রমে বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

·অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা/২০০৯ যথারীতি সম্পন্ন ও ফলাফল প্রকাশ করা।

 

সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রম

 

শিশু একাডেমী, শিল্পকলা একাডেমী এবং জেলার অন্যান্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ’কালচারাল ফোরাম’ এর কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পূর্ণোদ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমীতে ইতোমধ্যে একটি মুক্ত মঞ্চ ও মহড়া কক্ষ এবং শিশু একাডেমীতে শিশু কর্ণার, মুক্ত মঞ্চ ও গার্ডিয়ান শেড নির্মান করা হয়েছে।

 

 

আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত তথ্যাবলী

চট্টগ্রাম জেলার তুলনামূলক অপরাধ বিবরণী

সময়কাল

ডাকাতি

রাহাজানি/ দস্যুতা

খুন

দাঙ্গা

অপহরণ

নারী নির্যাতন

ধর্ষণ

মোট

জানু-নভেঃ/০৮

৪৮

৩২

১১১

১০

২৭৭

৮১

৫৬৫

জানু-নভেঃ/০৯

৬৮

২৭

১১১

১১

১৯৬

৫৪

৪৬৯

চট্টগ্রাম জেলার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার সংক্রান্ত তুলনামূলক বিবরণী

সময়কাল

রাইফেল

বন্দুক

রিভলবার

পিস্তল

পাইপগান/ শার্টারগান

গুলি/ কার্তুজ

মোট অস্ত্র উদ্ধার

জানু-নভে:/০৮

৩৭

৭৪

২৮৯৫

১২৭

জানু-নভে:/০৯

৩৪

--

৮৭

৩৫৮

১২৫

চট্টগ্রাম জেলার চোরাচালান সংক্রান্ত তথ্য

অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থাসমূহ

সময়কাল

অভিযানের সংখ্যা

মামলার সংখ্যা

জব্দকৃত পন্যের মূল্য

জেলা ট্রাস্কফোর্স, বাংলাদেশ নেভী, জেলা পুলিশ, বিডিআর, মাদকদ্রব্যে নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বন বিভাগসহ মোট ১৪টি সংস্থা

 

জানুঃ -নভেঃ/০৮

৬৫৬৬

২২৪০

৩০,৩৯,৫৫৭৫৮/-

 

 

জানুঃ -নভেঃ/০৮

৭৫৯৭

২১১৫

২৫,২৫,৯৭,৭৪৯/-

 

চট্টগ্রাম জেলার মাদকদ্রব্য সংক্রান্ত তথ্য

২০০৮-ও ২০০৯ এর তুলনামুলক বিবরণী

সময়কাল

অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থাসমূহ

অভিযানের সংখ্যা

মামলার সংখ্যা

ধৃত আসামী

আটককৃত মালামালের মূল্য

(জানু-ডিসে/০৮)

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চল, চট্টগ্রাম গোয়েন্দা অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপ-অঞ্চল।

 

 

১৭৯৫

৮১৩

৭৬৯

৪,৭১,৯২,০৯৫/-

(জানু-ডিসে/০৯)

২২/১২/০৯ পর্যন্ত

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রাম মেট্রো উপ-অঞ্চল, চট্টগ্রাম গোয়েন্দা অঞ্চল এবং চট্টগ্রাম উপ-অঞ্চল।

 

 

১৮১৮

৭৮৮

৬৯৩

৩,০৪,৭১,২১৩/-

ভ্রাম্যমান আদালত সংক্রান্ত তুলনামূলক বিবরণী

সময়কাল

অভিযানের সংখ্যা

মামলার সংখ্যা

জরিমানাকৃত অর্থ

মন্তব্য

মোট/২০০৮

৭৭৮

১৭৫৯

৩৬,৯৮,৮২০/-

 

মোট/২০০৯

৩৫৬

১২৫৮

৩২,৬০,২১০/-

মোবাইলকোর্ট সংক্রান্ত আইন সংসদে পাস না হওয়ায় মার্চ/০৯ হতে জুলাই/০৯ পর্যন্ত মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম স্থগিত ছিল।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী সংক্রান্ত তথ্যাদি

(২০/১২/০৯ ইং তারিখ পর্যন্ত )

 

কারাগারে সর্বমোট বন্দী

:

৫১৩১জন (পুরুষ ৪৯৭৪ জন +মহিলা ১৫৭ জন)

কারাগারে প্রকৃত ধারণ ক্ষমতা

:

১৫৪২ জন

 

:

 

মহিলা, শিশু ও বিদেশী বন্দীর তথ্য (বিচারাধীন ও সাজাপ্রাপ্ত)

:

 

শিশু ও কিশোর বন্দী (১২ থেকে ১৮ বছর পর্যন্ত)

:

১৫ জন

মহিলা বন্দী

:

১৫৭ জন (মায়ের সাথে শিশু ৩৩ জন)

বিদেশী বন্দী

:

২৬ জন

জঙ্গল সলিমপুর সম্পর্কিত তথ্য

ক) অবসহান -

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলাধীন ১০ নং সলিমপুর ইউনিয়ন-এ জঙ্গল সলিমপুর অবসিহত ।

 

খ) সলিমপুর এলাকার সমস্যাসমূহ উল্লেখ করা হলো -

 

1.সীতাকুন্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর মৌজার ৬টি দাগে প্রায় ২১৭.০৫ একর ভূমি ছিন্নমূল বহুমুখী সমবায় সমিতির নামে কতিপয় দৃষ্কৃতিকারী ব্যক্তির প্রত্যক্ষ সাহায্য ও সহযোগিতায় প্রায় ২০,০০০ লোক অবৈধভাবে দখল করে বসবাস করছে।

2.উক্ত এলাকার তথা জঙ্গল সলিমপুরের প্রবেশ পথে শক্ত লোহার গেইট নির্মাণ করে দৃষ্কৃতিকারীরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজস্ব প্রহরী নিয়োগ করেছে। ফলে সর্বসাধারণে সার্বক্ষণিক যাতায়াতের পথ বন্ধ রয়েছে।

3.মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে কতিপয় ব্যক্তি সরকারী সম্পত্তি দখল বেচা-কেনা করছে।

4.দৃষ্কৃতিকারীদের নিয়ন্ত্রণ থাকায় বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে সন্ত্রাসীরা উক্ত এলাকাকে নিরাপদ অভয়ারন্য হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

5.সন্ত্রাসীদের নিরাপদ ঘাটি হওয়ায় সরকারী খাস সম্পত্তিতে সরকারের স^ার্থ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সহানীয় প্রশাসন প্রতিবন্ধকতার সম্মুখিন হচ্ছে।

6.নারী, শিশু, আবালবৃদ্ধবনিতা নির্বিশেষে অবৈধ দখলদারীত্বের ফলে স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় উচ্ছেদ কার্যক্রমে আশানুরূপ ফল না পাওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

 

গ) জেলা প্রশাসন কর্তৃক গৃহীত ব্যবস্থা ও প্রাপ্ত তথ্যঃ -

 

1.৩০/০৬/২০০৯ তারিখে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সীতাকুন্ড উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ৮ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।

2.কমিটি ৩ দফা বৈঠক করে ১৮/০৩/২০১০ তারিখ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে ।

3.কমিটির চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুসারে প্রাপ্ত তথ্য হলো নিন্মরূপঃ

জঙ্গল সলিমপুর মৌজার মোট দাগ

:

৯৪ টি

মৌজায় মোট খাস জমির পরিমাণ

:

১০০৪.৮৫ একর

অবৈধ দখলাধীন জমির বিবরণ

:

বর্ণিত মৌজায় ৬টি দাগে মোট ৩৬০.২২ একর জমি

(বসবাসযোগ্য জমি ২০৪.৯০ একর এবং বসবাস অনুপযোগী জমি ১৫৫.৩২ একর)

অবৈধ দখলদারদের সংগঠনের নাম

:

চট্টগ্রাম মহানগর ছিন্নমূল বস্তিবাসী সমন্বয় সংগ্রাম পরিষদ।

অবৈধভাবে বসবাসকারী পরিবারের সংখ্যা

:

৪,৫৪৪টি

মোট জনসংখ্যা

:

১৯,৮৮৩ জন (পুরুষ-৭,৯০৭, মহিলা-৭,৪১৭, শিশু-৪,৫৩২ এবং প্রতিবন্ধী ২৭ জন)

মোট ভোটারের সংখ্যা

:

৫১৭৮ জন (পুরুষ- ২৮৩৪ জন ও মহিলা- ২৩৪৪ জন)।

 

মামলার বিবরণ

:

সীতাকুন্ড থানার- ৯টি (অভিযোগ পত্র- ৭টি, তদমত্মাধীন -২টি।

পাহাড়তলী থানায়- ৭টি (অভিযোগ পত্র -৭টি)

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

:

বেসরকারী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়-১টি

বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়- ১টি

মাদ্রাসা- ১টি

অন্যান্য

:

বাজার-১টি

ঘ)উপজেলা কমিটির সুপারিশঃ-

 

·সরকারী সষ্পত্তি অবৈধ দখলমুক্ত করা এবং খাস জমিতে সরকারের স্বত্ব, স্বার্থ ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার স্বার্থে অবিলমেব উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সুপারিশ করা হয় ।

·জঙ্গল ছলিমপুর এলাকায় বসবাসকারী দুঃসহ , অসহায় ও প্রকৃত ভূমিহীনদের আশ্রয় ও পুর্নবাসনের লক্ষ্যে বাসসহানের জন্য ন্যুনতম প্রয়োজনীয় পরিমাণ খাস জমি বন্দোবস্ত প্রদানের বিষয়টি বিবেচনার নিমিত্ত সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করার সুপারিশ করা হয় ।

·জঙ্গল ছলিমপুর এলাকায় বসবাসকারী ও আশ্রয় গ্রহণকারী অবৈধ অস্ত্রধারী, সন্ত্রাসী,ভূমি দস্যু ও চিহ্নিত অপরাধীদের অবিলমেব গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার সুপারিশ করা হয় ।

·জঙ্গল ছলিমপুরে প্রবেশপথে দুই পাহাড়ের মাঝখানে অবৈধ দখলকারগন কর্তৃক নির্মিত লোহার গেইট অবিলমেব অপসারন করে এলাকাটিতে সর্বসাধারণের যাতায়াত উন্মুক্ত করার ব্যবসহা গ্রহণের সুপারিশ করা হয় । আইন শৃংখলা পরিসিহতি উন্নয়নের পদক্ষেপ হিসেবে জঙ্গল ছলিমপুর এলাকায় একটি পুলিশ ফাঁড়ি সহাপন করার সুপারিশ করা হয় ।

 

স্বাস্থসেবা ও পরিবার কল্যাণ

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ২০১১ সালের মধ্যে সবার জন্য নিরাপদ পানির ব্যবস্থা করা এবং ২০১৩ সালের মধ্যে প্রতিটি বাড়িকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবন্থার আওতায় আনা ।

চট্টগ্রামের অগ্রগতি:

·২০০৯-১০ অর্থ বৎসরের জন্য সমগ্র দেশে গ্রামীণ পানি সরবরাহ জিওবি-৫ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম জেলায় বিভিন্ন ধরণের নলকুপ বরাদ্দ আছে ৫৯৬টি; তার মধ্যে স্থাপিত হয়েছে ৪৫৩টি-অগ্রগতির হার ৭৬%।

·৬,৪৫,৪৩১টি পরিবারের মধ্যে ৫,৩৩,৭২৮টি পরিবারের স্যানিটারি ল্যাট্রিন আছে, যার শতকরা হার ৮৪.৬৯%।

 

টিউবওয়েল এর সংখ্যা-৮,৭৪,২৬৮

আর্সেনিকযুক্ত

আর্সেনিকমুক্ত

অন্যান্য

 

জানা নেই

৪৬১৬

৫,৬১,৮৯৬

৫৮২৬

৩,০১৯৩০

 

স্বাস্থ্য সেবা

 

প্রতিষ্ঠানের নাম

সংখ্যা

বেড সংখ্যা

মন্তব্য

মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

১০০০

 

জেনারেল/ সদর হাসপাতাল

১৫০

 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

১৪

৬২৪

 

ইউনিয়ন সাব সেন্টার

৭৩

প্রযোজ্য নয়

 

পরিবার কল্যান কেন্দ্রের

১২৮

’’

 

ইপিআই আউট রীচ

৪৭৯১

’’

 

কমিউিনিটি ক্লিনিক

৫৮৯

( প্রস্তাবিত)

৫৫৫( নির্বাচিত), নির্মিত -২৯৭ টি,নির্মাণ আরম্ভ হয়েছিল কিন্তু সমাপ্ত হয়নি -০৫ টি।

হস্তান্তরিত -২৯২ টির মধ্যে ০২ টি নদী গর্ভে বিলীন ও ০৩ টি মেরামতের অযোগ্য।

হস্তান্তর-২৯২, টি। চালু- ২৮৭টি।

বিদ্যুৎ উৎপাদন:

সরকার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা: ২০১১ সালের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াটে, ২০১৩ সালের মধ্যে ৭ হাজার মেগাওয়াটে এবং ২০২১ সালের মধ্যে ২০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করা ।

চট্টগ্রামের অবস্থা:

বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র

উৎপাদন ক্ষমতা

বর্তমান উৎপাদন

মন্তব্য

ইউনিট

কাপ্তাই

২৩০ মে: ও:

১১০ মে: ও:

পানির উচ্চতা কম হওয়ায় ২ টি ইউনিট বন্ধ আছে, বর্তমানে ৩ টি চালু আছে

৫ টি

রাউজান

২১০ x২= ৪২০ মে:ও:

১৪০ মে: ও:

গ্যাসের স্বল্পতার জন্য বন্ধ আছে

২ টি

শিকলবাহা

২২১ মে: ও:

৫৫ মে: ও:

গ্যাসের স্বল্পতার জন্য বন্ধ আছে

৪ টি

মোট

৯৭১ মে: ও:

৩০৫ মে: ও:

 

১১ টি

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

স্থান

প্রকল্প

আনোয়ারা উপজেলা

কয়লাভিত্তিক ১৩০০ মে:ও: এর ২ টি ইউনিটের (২৬০০ মে:ও: ক্ষমতা সম্পন্ন ) ১ টি পাওয়ার ষ্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। সাইট সিলেকশন করা হয়েছে।

হাটহাজারী উপজেলা

গ্যাস/তেল ভিত্তিক ৫০ মে:ও: করে ২ টি ইউনিটের (১০০ মে:ও: ক্ষমতাসম্পন্ন) প্রকল্প নেয়া হয়েছে। সাইট সিলেকশন হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহনের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে।

দোহাজারী

৫০ মে:ও: করে ২ টি ইউনিটের (১০০ মে:ও: ক্ষমতাসম্পন্ন) প্রকল্প নেয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ বিতরণ: দক্ষিণাঞ্চল, পিডিবি, চট্টগ্রাম

সর্বোচ্চ পিক চাহিদা

:

৬৪৮ মে: ও:

প্রাপ্ত লোড (গড়ে)

:

৩৪১ মে: ও:

বেজ লোড

:

৪৮ মে: ও:

ম্যানেজেবল লোড

:

২৯৩ মে: ও:

লোড শেডিং

:

০ - ২৬৫ মে: ও:

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চট্টগ্রাম কর্তৃক বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে

জমি অধিগ্রহনের বিবরণ

·চট্টগ্রাম - দোহাজারী (পটিয়া বাইপাস) সড়ক নির্মাণ প্রকল্প :

সড়ক ও জনপদ বিভাগের চট্টগ্রাম দোহাজারী (পটিয়া বাইপাস) সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে পটিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলায় ৩৮.৬১৫ একর জমির অধিগ্রহনের শেষ পর্যায়ে জমির মূল্যহার ও প্রাক্কলন নির্ধারণের অপেক্ষায় রয়েছে । আগামী ৭ (সাত) দিনের মধ্যে মূল্যহার নির্ধারণ করে জেলা প্রশাসকের সংশি­ষ্ট নথিখাতে প্রাক্কলনের অর্থ জমা প্রদান করার জন্য প্রত্যাশী সংস্থাকে পত্র প্রেরণ করা হবে।

·ঢাকা-চট্টগ্রাম চার লেইন বিশিষ্ট সড়ক নির্মাণ প্রকল্প :

ঢাকা- চট্টগ্রাম মহাসড়কের চার লেইনে উত্তীর্ণ করার লক্ষে সড়ক ও জনপদ বিভাগ হতে প্রাপ্ত চট্টগ্রাম অংশে মিরসরাই উপজেলায় ০.২৮৫২ একর ভূমির অধিগ্রহনের শেষ পর্যায়ে জমির মূল্যহার ও প্রাক্কলণ প্রস্ত্ততের শেষ পর্যায়ে রয়েছে । আগামী ৭সোত) দিনের মধ্যে প্রাক্কলন প্রস্ত্তত করে প্রত্যাশী সংস্থাকে জেলা প্রশাসকের নথিখাতে প্রাক্কলিত অর্থ জমা প্রদান করার জন্য পত্র প্রেরণ করা হবে।

·সিডিএ এর ‘কল্পলোক আবাসিক প্রকল্প’:

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বাকলিয়া মৌজায় ৩৯.৮০ একর ভূমি অধিগ্রহনের জন্য প্রস্তাব করে । প্রস্তাব পাওয়ার পর প্রয়াজনীয় কার্যক্রম শেষে যৌথ তদন্তের কার্যক্রম গ্রহন করা হয়। যৌথ তদন্ত চলাকালীন সিডিএ কর্তৃপক্ষ ২৬/১০/০৯ তারিখ ৩৯.৫৮ একর ভূমি হতে ৮.৮৬১৪ একর ভুমি বাদ দিয়ে ৩০.৮৯৮৬ একর ভুমির সংশোধিত এলাইনমেন্ট ম্যাপ ও দাগসূচি প্রেরণ করেন। ইতোমধ্যে এলাইনভূক্ত ভূমির মালিকগণের পক্ষ হতে ২.১৪ একর ভূমির বিষয়ে সুপ্রীম কোর্টের মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে দুটি রিট মামলা নং ২৯১২/০৯ ও ৫৪৬৭/০৯ দায়ের করা হয়। যাতে মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ উক্ত জমি উপর স্থগিতাদেশ জারী করেন । উক্ত রিট মামলা দুটির বিষয়ে বিজ্ঞ সরকারী কৌশলীর মতামত গ্রহন করা হলে বিজ্ঞ সরকারী কৌশলী রিট মামলার জমির অংশটুকু বাদ দিয়ে অধিগ্রহন কার্যক্রম গ্রহন করার মতামত প্রদান করেন । সেই আলোকে প্রত্যাশী সংস্থাকে রিট মামলার অর্ন্তভূক্ত জমি বাদ দিয়ে অধিগ্রহন প্রস্তাব দাখিল করার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু প্রত্যাশী সংস্থা হতে রিট মামলার জমির অংশটুকু বাদ দিয়ে এখনও প্রস্তাব পাওয়া যায়নি ।

·বিদ্যুৎ বিভাগে পিকিং বিদ্যুৎ প­ান (হাটহাজারী) :

১০০ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষে হাটহাজারী উপজেলায় ৭.৩৭ একর ভূমির অধিগ্রহনের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ হতে প্রাপ্ত প্রস্তাব পরীক্ষা-নীরিক্ষাপূর্বক বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সমাপ্ত করে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম মহোদয়ের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। যা চূড়ান্ত অনুমোদনের পর্যায় রয়েছে। অনুমোদন পাওয়ার সাথে সাথে অধিগ্রহনের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

·কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মানঃ

বর্তমান সরকার বিদ্যুৎ এর চাহিদা পূরণ করার লক্ষে চট্টগ্রাম জেলার আনোয়ারা উপজেলায় ২৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্দেশ্যে জমি অধিগ্রহনের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । গত ০৯/০৩/১০ তারিখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানী উপদেষ্টা উক্ত প্রকল্পের জন্য সম্ভাব্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করে প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন । কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য জমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব এ কার্যালয়ে পাওয়ার সাথে সাথে অধিগ্রহনের কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

·কোরিয়ান ইপিজেড :

কোরিয়ান ইপিজেড প্রকল্পের জন্য এল এ মামলা নং ১২/৯৬-৯৭ মূলে ২৪৯২.৩৫৭৬ একর ভূমির অধিগ্রহন প্রক্রিয়া প্রায় সমাপ্তির পর্যায় রয়েছে । বিধি মোতাবেক জমির প্রকৃত মূল্য, ৫০% অতিরিক্ত ক্ষতিপূরণ মূল্য এবং ৭.৫% প্রশাসনিক ব্যয় ধরে সাকুল্য ৬৪,২০,১৬,৭১৭/৮০(চৌষট্টি কোটি বিশ লক্ষ ষোল হাজার সাত শত সতের টাকা আশি পয়সা) টাকার প্রাক্কলন প্রস্ত্তত করে জেলা প্রশাসকের নথি খাতে জমা প্রদান করার জন্য কোরিয়ান ইপিজেড কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয় । কোরিয়ান ইপিজেড কর্তৃপক্ষ ৫৪,৭৪,০৫,৭৭৫.৫৩ টাকা ( চুয়ান্ন কোটি চুয়াত্তর লক্ষ পাঁচ হাজার সাত শত পচাত্তর টাকা তেপ্পান্ন পয়সা) পরিশোধ করলেও খাসজমির ৫০% অর্থ সাকুল্যে ৯,৪৬,১০,৯৪২/২৭ ( নয় কোটি ছেচলি­শ লক্ষ দশ হাজার নয় শত বিয়ালি­শ টাকা সাতাশ পয়সা) পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করে এবং উল্লে­খিত টাকা সংশি­ষ্ট নথিখাতে জমা প্রদান না করে এ বিষয়ে মহামান্য সুপ্রীম কোর্টের হাইকোট বিভাগে রিট মামলা নং ১৯২৮/৯৯ দায়ের করে । রিট মামলায় সরকারের বিপক্ষে রায় প্রদান করায় আপীলেট বিভাগে আপীল দায়ের করা হয় । আপীলেট বিভাগ সরকারের অনুপস্থিতিতে একতরফাভাবে সরকারের বিপক্ষে আপীল খারিজের আদেশ প্রদান করার কারণে রিট মামলাটি রিভিউ করার মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে পিটিশন দায়ের করা হয় । যা নিস্পত্তির পর্যায়ে রয়েছে। রিভিউ আবেদন নিস্পত্তি হলে অধিগ্রহনাধীন ভূমির গেজেট প্রকাশনাসহ নামজারী ও জমা খারিজ করার দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

·চট্টগ্রাম ওয়াসাঃ

চট্টগ্রাম ওয়াসার পানি শোধনাগার প্রকল্পে চট্টগ্রাম জেলার রাংগুনিয়া উপজেলা পোমরা ইউনিয়নে ৩১.৫৫ একর জমি অধিগ্রহন করা হয় । বিগত ১২/১০/০৯ তারিখ প্রত্যাশী সংস্থা চট্টগ্রাম ওয়াসার নিকট জমির দখল হস্তান্তর করা হয় । ওয়াসার এ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দৈনিক ৩ (তিন) কোটি গ্যালন পানি উৎপাদন সম্ভব হবে , যা দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর পানি ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হবে ।

·জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষঃ

জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলায় চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি মহাসড়কের পার্শ্বে স্বল্প ও মধ্যম আয়ের লোকদের জন্য সাইট এন্ড সাভি©র্সস আবাসিক প্ল­ট উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য ১৯.৯৮ একর জমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব পাওয়া যায় । গত ১৪/০৩/১০ তারিখ প্রস্তাবিত জমির সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয় । বর্তমানে প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের পর্যায়ে রয়েছে । ভূমি মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদন পাওয়ার সাথে সাথে অধিগ্রহন কার্যক্রম গ্রহন করা হবে।

সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমুহ

পর্যটন

·বাঁশখালী ইকোপার্কঃচট্টগ্রাম শহর হতে ৬০কিঃমিঃ দক্ষিণ-পশ্চিমে বাঁশখালী উপজেলার জলদী অভয়ারণ্য রেঞ্জের আওতাধীন রক্ষিত বনাঞ্চলের বামের ছড়া ও ডানের ছড়া এলাকা এবং পার্শ্ববর্তী ছোট-বড় পাহাড়ে ঘেরা গভীর অরণ্য নিয়ে বাঁশখালী ইকো-পার্কের অবস্থান। উঁচু-নীচু টিলা সমৃদ্ধ ক্ষয়িঞ্চু বনাঞ্চলের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, ইকো-ট্যুরিজম ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির জন্য জলদী অভয়ারণ্য বন বিটের নৈসর্গিক সৌন্দর্যন্ডিত পাহাড়ী বনাঞ্চল এলাকা নিয়ে ২০০৪ সাল হতে বাঁশখালী ইকো-পার্কের যাত্রা শুরু হয়।

·চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্যঃ

চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য অঞ্চলটি চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া ও বাঁশখালী উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার মধ্যবর্তী সংযোগস্থলের নিবিড় পাহাড়ী এলাকায় বিস্তৃত বনভূমি নিয়ে গঠিত। চট্টগ্রাম শহর থেকে ৭০ কিঃ মি দক্ষিনে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পশ্চিম পার্শ্বে প্রাকৃতিক বনভূমির জীববৈচিত্র সমৃদ্ধ অঞ্চলটি নিয়ে চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারন্যের অবস্থান। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী হওয়ায় এ অভয়ারণ্যের পর্যটন সম্ভাবনা বিশাল।

·পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্র সৈকত:প্রাকৃতিকভাবে গড়ে ওঠা পতেঙ্গা ও আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকত ইতোমধ্যে পর্যটকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের চেয়ে অর্থ ও সময়ে সাশ্রয় হওয়ায় প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক ও দর্শনার্থীদের পদভারে মুখরিত হচ্ছে এ সৈকতদ্বয়।

·বোয়ালখালী উপজেলার করলডেঙ্গা, জৈষ্ঠপুরা ও আমুচিয়ার দৃষ্টিনন্দন পাহাড়ও কর্ণফুলী তীর বেষ্টিত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পর্যটন শিল্পের অমিত সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে। সরকারী ও বেসরকারী উদ্যোগে এখানে গড়ে উঠতে পারে পর্যটন শিল্প। সৌন্দর্য-পিপাসু মানুষের জন্য এ এলাকা একটি আকর্ষনীয় স্থান।

শিপ ইয়ার্ড/ শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড

·গহিরা-বার আউলিয়া তথা উপকূলীয় অঞ্চলে শিপিং ইয়ার্ড স্থাপন করা যেতে পারে।

·পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও ইউনিয়নে কর্নফুলী নদীর তীরে ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপ ইয়ার্ড জাহাজ শিল্প প্রতিষ্ঠান আছে। এখানে মাঝারী ধরনের জাহাজ তৈরী করা হয়। বর্তমানে উক্ত শিল্পের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হচ্ছে।

·শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড সংক্রান্ত তথ্যঃ

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড উপজেলায় শীপ ব্রেকিং ইয়ার্ড রয়েছে।

(ক) সর্বমোট অনুমোদিত ইয়ার্ডের সংখ্যা------------------------------১৪৯টি

(খ) উক্ত ইয়ার্ড সমূহের অনুকূলে সমুদ্র সিকস্থি জমিতে একসনা

লাইসেন্স প্রদানকৃত জমির পরিমাণ--------------------------------৫৮৯.৭৯ একর

(গ) চলতি ১৪১৬ বাংলা সনে এ পর্যন্ত ইজারা ফি আদায়----------------৪৪,৬১,৩৮৩/-টাকা।

রাবার চাষ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রনাধীন ৩টি রাবার বাগান ফটিকছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। বাগানসমূহের বিবরণ নিন্মরূপঃ

ক্রমিক নং

বাগানের নাম

বাগানের পরিমাণ

বাৎসরিক রাবার উৎপাদন

আর্থিক মূল্য (টাকা)

দাঁতমারা রাবার বাগান

৩৯৬৫ একর

৮০০ মেঃ টন

৮.০০ কোটি

তাঁরাখো রাবার বাগান

২৪৩৬ ,,

৪৫০ ,, ,,

৪.৫০ ,,

কাঞ্চননগর রাবার বাগান

২৩৬১ ,,

২০০ ,, ,,

২.০০ ,,

মোট

৮৭৬২ একর

১৪৫০ মেঃ টন

১৪.৫০ কোটি

সম্ভাবনাময় রাবার চাষঃ

Øপতিত ও উজাড় বনভূমিতে রাবার গাছ রোপনের মাধ্যমে সবুজ আবরণী সৃষ্টি, বায়ুমন্ডল হতে অধিকহারে কার্বন-ডাই-অক্সাইড শোষন, ব্যপকহারে অক্সিজেন উৎপাদন, মাটির ক্ষয়রোধ প্রভৃতির মাধ্যমে রাবার চাষ বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ তথা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সহায়তা করে।

Øরাবার চাষ অর্থনৈতিকভাবে সম্ভাবনাময় একটি শিল্প। সারা বিশ্বে প্রাকৃতিক রাবারের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে বিধায় কৃষিভিত্তিক রাবার শিল্পের ভবিষ্যত অত্যন্ত উজ্জ্বল।

Øরাবার চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শ্রমঘন কৃষিভিত্তিক শিল্প হওয়ায় রাবার চাষ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে ব্যাপকভাবে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে।

Øরাবার গাছের কাঠ প্রক্রিয়াজাত করে অন্যান্য উন্নতমানের বৃক্ষের কাঠের মতই ব্যবহার করা যায়। সুতরাং রাবার গাছের কাঠ দ্বারা দেশের কাঠের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো সম্ভব।

 

চা চাষ

বাংলাদেশে বিদ্যমান ১৬৩টি চা বাগানের মধ্যে চট্টগ্রাম অঞ্চলে ২৩টি ও রাঙ্গামাটিতে ১টি চা বাগান রয়েছে। এ এলাকায় বরাদ্দকৃত ১৫,১৪৩.৪৩ হেক্টর জমির মধ্যে ৫,৩৪৪.৮৪ হেক্টর জমি চা চাষাধীন রয়েছে। চা চাষে জমির ব্যবহার মাত্র ৩৪.৩৬%। ২০০৮ সালে এ অঞ্চলে ৪.৩৯ মি: কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে যা দেশের মোট চা উৎপাদনের ৭.৪৮%। হেক্টর প্রতি গড় উৎপাদন ৮২৫.০২ কেজি। ২৩টি চা বাগানের মধ্যে ১১টি চা বাগানে কোন চা কারখানা নেই। বিদুৎ সংযোগ নেই ৭টি বাগানে । ওয়াগ্গাছড়া চা বাগান ছাড়া আর কোন বাগানে গ্যাস সংযোগ নেই। ভূমির ব্যবহার এবং হেক্টর প্রতি চা উৎপাদনের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য অঞ্চল হতে পিছিয়ে আছে।

বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক গৃহীত উন্নয়ন কার্যক্রম :

·চট্টগ্রাম অঞ্চলের চা বাগান গুলোতে চা উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে ফটিকছড়িতে বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক বিটিআরআই এর একটি উপ-কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। উক্ত উপকেন্দ্র হতে চা বাগান গুলোকে প্রয়োজনীয় কারিগরি পরামর্শ প্রদান করা হয়ে থাকে। তাছাড়া বোর্ডের ভ্যালী কর্মকর্তা নিয়মিত ভাবে বাগানগুলো পরিদর্শন করে বাগান কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন মূলক পরামর্শ দিয়ে থাকে।

·চট্টগ্রাম অঞ্চলের চা বাগান সমূহে যোগাযোগ ব্যবস্তা উন্নয়ন কল্পে বাংলাদেশ চা বোর্ড নিজস্ব অর্থায়নে বিগত ২ বৎসরে নেপচুন, ওয়াগ্গাছড়া, আগুনিয়া , উদালিয়া চা বাগানে ১ করে মোট ৪টি বক্স কালভার্ট নির্মাণ করে দিয়েছে।

·চট্টগ্রাম অঞ্চলের চা বাগান সমূহে গ্যাস প্রাপ্তির সমস্যা নিরসন কল্পে সিমুতাং গ্যাস ফিল্ড হতে হাটহাজারী গ্রিডে গ্যাস সংযোগ নেয়ার পথে চট্টগ্রাম জেলাধীন নেপচুন, দাঁতমার, নিউ দাঁতমারা, নাসেহা, মা-জান, হালদাভ্যালী, পঞ্চবটি, রাঙ্গাপানি, এলাহীনূর, বারমাসিয়া, উদালিয়া, কৈয়াছড়া, আছিয়া এবং কর্ণফুলী চা বাগান অবস্থিত। প্রস্তাবিত গ্যাস সংযোগ প্রকল্পের আওতায় অত্র এলাকার বর্ণিত চা বাগান গুলোতে গ্যাস সংযোগ প্রদান করার জন্য বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস্ লি: কর্তৃক গ্যাস সরবরাহ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বিষয়টি বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ মন্ত্রণালয়ে উপস্থাপনের নিমিত্ত বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে।